১. ব্যবসায় বিনিয়োগে লোন ব্যবহার করুন
লোন যদি আপনি কোনও লাভজনক ব্যবসা বা স্টার্টআপ শুরু করতে ব্যবহার করেন, তাহলে সেটি আয়ের একটি বড় উৎস হয়ে উঠতে পারে। যেমন:
- দোকান খোলা
- অনলাইন বিজনেস
- ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসা
শর্ত: ব্যবসা সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে এবং রিটার্ন নিশ্চিত হতে হবে।
২. রিয়েল এস্টেটে লোন ব্যবহার করুন
ঘর বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য হোম লোন নিয়ে সেটি ভাড়া দিলে আপনার মাসিক প্যাসিভ ইনকাম শুরু হতে পারে।
- EMI থেকে বেশি ভাড়া উঠলে আপনি মাসে লাভ করতেই পারেন।
- পরে ফ্ল্যাটের মূল্য বাড়লে বিক্রি করে লাভবান হওয়া যায়।
উন্নত স্কিল বা প্রফেশনাল কোর্সের জন্য এডুকেশন লোন নিলে ভবিষ্যতে উচ্চ বেতনের চাকরি পাওয়া যায়।
- যেমন: MBA, Data Science, AI, মেডিকেল বা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স
- এটি “Loan as Investment” পদ্ধতির এক উদাহরণ।
৪. লোন নিয়ে পণ্য কিনে বিক্রি করা (Buy & Sell)
হোলসেল বা ডিসকাউন্টে পণ্য কিনে অনলাইনে বিক্রি করে লাভ করা যায়।
- যেমন: Amazon/Flipkart/Meesho রিসেলিং
- স্টক ভালো হলে এবং ডিমান্ড থাকলে লাভ নিশ্চিত।
ক্রেডিট কার্ডও এক ধরনের ঋণ। আপনি যদি সঠিকভাবে ব্যয় করেন এবং সময়মতো পরিশোধ করেন:
- তখন ক্যাশব্যাক, রিওয়ার্ডস, ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়
- আবার আপনার CIBIL স্কোর বাড়ে, যা ভবিষ্যতে বড় লোন পেতে সাহায্য করে
- লোভ করে বেশি লোন নিলে আপনি ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারেন
- ভুল সিদ্ধান্তে ব্যবসা লস করলে লাভের বদলে দেনা বাড়বে
- সব সময় নিজের রিটার্ন প্ল্যান ঠিক করে লোন নিন
লোন নিজে খারাপ কিছু নয়, যদি তা সঠিক সময়ে সঠিক খাতে ব্যবহার করা হয়। আপনি চাইলে লোনকে আপনার আর্থিক গ্রোথের সিঁড়ি বানাতে পারেন। সঠিক পরিকল্পনা, ধারাবাহিক পরিশ্রম, আর সময়মতো লোন রিটার্নই এখানে মূল চাবিকাঠি।

No comments:
Post a Comment